শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১

Daily Somoy BD
বুধবার ● ২৪ জানুয়ারী ২০২৪
প্রথম পাতা » খেলা » শরীয়তপুরের স্টেডিয়ামে খেলাধুলা বন্ধ রেখে মেলার আয়োজন
প্রথম পাতা » খেলা » শরীয়তপুরের স্টেডিয়ামে খেলাধুলা বন্ধ রেখে মেলার আয়োজন
৯৪ বার পঠিত
বুধবার ● ২৪ জানুয়ারী ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শরীয়তপুরের স্টেডিয়ামে খেলাধুলা বন্ধ রেখে মেলার আয়োজন

 

 ---

তাহমিদ রাজীব, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি:

শরীয়তপুর জেলা স্টেডিয়ামে খেলাধুলা বন্ধ রেখে চলছে মেলার আয়োজন। প্যাভিলিয়ন নির্মাণের জন্য করা হচ্ছে স্থাপনা। মাসব্যাপী এই মেলা বসাতে ইতিমধ্যে পুরো স্টেডিয়ামের মাঠ নষ্ট করে স্থাপনা নির্মাণ করছেন আয়োজকেরা। মাঠের ক্ষতি করে এমন আয়োজন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকেরা।
জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মণিপুরি তাঁতশিল্প জামদানি ও বেনারসি কল্যাণ ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে মেলার জন্য স্টেডিয়ামটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। মাসব্যাপী এই মেলার জন্য অন্তত দুই মাস খেলাধুলা বন্ধ রাখতে হবে। এ বিষয়ে জানেন না সংস্থার সদস্যরা।

ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহাম্মেদ একক সিদ্ধান্তে মেলার বসানোর জন্য স্টেডিয়াম ভাড়া দিয়েছেন। ৩১ জানুয়ারি কিংবা ১ ফেব্রুয়ারি মেলা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
শরীয়তপুর শহরের ধানুকা এলাকায় ১৯৭৮ সালে ৬ একর জমির ওপর শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফের নামে জেলা স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করা হয়। ১২ হাজার আসনবিশিষ্ট ওই স্টেডিয়ামে বছরজুড়ে ক্রিকেট, ফুটবল টুনার্মেন্টের আয়োজন করা হয়।
গত সোমবার সকালে স্টেডিয়ামে গিয়ে দেখা যায়, মাঠজুড়ে মেলা আয়োজনের তোড়জোড় চলছে। বিভিন্ন স্থানে গর্ত করে বাঁশ-খুঁটি বসিয়ে দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে। ক্রিকেটের দুটি পিচের পাশে ইট ও লোহা দিয়ে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। অনুশীলনের দুটি ক্রিকেট পিচের ওপরও দোকান বসানো হচ্ছে। ইটের স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।
একজন ক্রীড়া সংগঠক বলেন, ক্রিকেটের প্রাণ হচ্ছে উইকেট। মেলার দোকান বসানোর কারণে সেই উইকেট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কষ্টে আমাদের বুকটা ফেটে যাচ্ছে।’

এলাকার মানুষের ভালোর জন্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহাম্মেদ। তিনি বলেন, এ মাঠ ছাড়া মেলা করার মতো বড় কোনো মাঠ নেই। মেলার কারণে মাঠের যা ক্ষতি হবে, তা আয়োজকেরা সংস্কার করে দেবেন, এমন শর্ত দেওয়া হয়েছে। আর যে টুর্নামেন্টগুলো হওয়ার কথা, তা মেলার পর সুবিধাজনক সময়ে করা হবে। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, মেলার আয় থেকে ৪০ শতাংশ অর্থ ক্রীড়া সংস্থাকে দেওয়ার কথা বলেছেন আয়োজকেরা। এখনো তাদের কাছ থেকে কোনো সুবিধা নেওয়া হয়নি। একক সিদ্ধান্তে স্টেডিয়াম ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শরীয়তপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার একজন সদস্য বলেন, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোনো সভা করা হয়নি। জেলা প্রশাসক কারও কোনো মতামত না নিয়ে এককভাবে স্টেডিয়ামে মেলার আয়োজন করতে দিয়েছেন।





আর্কাইভ